এবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হৃদয় জয়ের চেয়ে ট্রফি জেতাতেই বেশি নজর নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারের। প্রয়োজন হলে সমর্থকদের কিছু হৃদয় ভাঙতেও আপত্তি নেই তার।
সর্বশেষ ১১ বছরে সাদা বলের ক্রিকেটে আইসিসির টুর্নামেন্টে মোট পাঁচবার ফাইনাল খেলেছে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু এর মধ্যে চারবারই ট্রফি জেতা হয়নি কিউইদের। প্রতিবারই ভালো ক্রিকেট খেলে সমর্থকদের হৃদয় জিতলেও শিরোপা ছোঁয়া হয়নি।
তবে এবার সেই গল্প বদলাতে চান স্যান্টনার। টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিজের লক্ষ্য পরিষ্কার করেছেন কিউই অধিনায়ক।
স্যান্টনার বলেন,
“আমি অবশ্যই ট্রফিটাই জিততে চাই। অতীতে দেখবেন আমাদের দলগুলো ফাইনালে বেশ ধারাবাহিক ছিল। আমরা দল হিসেবে সবসময় নিজেদের কাজটা ঠিকভাবে করার চেষ্টা করি। এবারও তাই করব। যদি কিছু হৃদয় ভেঙেও ট্রফি জিততে পারি, তাতেও আপত্তি নেই।”
এবারের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। দুই দলই টুর্নামেন্টে অপরাজিত নয়, লম্বা পথ পাড়ি দিয়েই এসেছে শিরোপা লড়াইয়ে। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে তারা।
৮ মার্চ আহমেদাবাদের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামবে নিউজিল্যান্ড। প্রায় এক লাখ দর্শকের সমর্থন থাকবে ভারতের পক্ষে—এটাও জানেন স্যান্টনার। তবে তাতে বিচলিত নন তিনি।
স্যান্টনার বলেন,
“আমরা ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপের আগেই একটি সিরিজ খেলেছি। সেই সিরিজ আমাদের অনেক সাহায্য করেছে। ফলে তাদের সম্পর্কে আমাদের অজানা কিছু নেই। ছেলেরাও দারুণ এক্সাইটেড।”
ফাইনালের উইকেট প্রসঙ্গে স্যান্টনার বলেন, “উইকেট এখনও দেখিনি, কাভারে ঢাকা ছিল। তবে এমন বড় ম্যাচে সাধারণত ফেয়ার উইকেটই থাকে। বড় স্কোরের ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনাও আছে।”
বিশ্বকাপের আগে ভারতের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৪–১ ব্যবধানে হেরেছিল নিউজিল্যান্ড। তবে সেই সিরিজ থেকেই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেয়েছে দলটি বলে জানান স্যান্টনার।
তার ভাষায়, “ওই সিরিজে আমরা অনেক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিলাম। কোন পরিকল্পনা কাজে দেয় আর কোনটা দেয় না—এসব বোঝার সুযোগ হয়েছে। ছেলেরাও সেখান থেকে ভালো শিক্ষা নিয়েছে।”
৮ মার্চ আহমেদাবাদের ফাইনালেই নির্ধারিত হবে এবারের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন।

