মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নামে ভারত। শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি টিম ইন্ডিয়ার। ঈশান কিষাণ ও অভিষেক শর্মার ওপেনিং জুটি থেমে যায় মাত্র ৮ রানে। ফর্মে থাকা অভিষেক নিজের বিশ্বকাপ অভিষেকেই গোল্ডেন ডাক মেরে ফেরেন—১ বলে ০ রান করে ফিরে যান সাজঘরে।

এরপর তিনে নামা তিলক ভার্মাকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন ঈশান। সাবলীল ব্যাটিংয়ে দুজনেই রান তুলছিলেন। কিন্তু পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে এক ওভারের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে বড় ধাক্কা খায় ভারত। ১৬ বলে ২০ রান করে আউট হন ঈশান, তিলক ফেরেন ১৬ বলে ২৫ রান করে। গোল্ডেন ডাক মেরে ফেরেন শিভাম দুবে। ৬ ওভারে ৪ উইকেটে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৬ রান।
এক পর্যায়ে দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। রিঙ্কু সিং ১৪ বলে ৬ এবং হার্দিক পান্ডিয়া ৬ বলে ৫ রান করে হতাশ করেন। ৭৭ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি।

সেখান থেকে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে সঙ্গ দেন অক্ষর প্যাটেল। দুজন মিলে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করেন। ১১ বলে ১৪ রান করা অক্ষরকে ফেরান হারমীত সিং। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে ঝড় তোলেন সূর্যকুমার। কৌশলী ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ফিফটি, পরে গতি বাড়িয়ে শেষ ওভার থেকেই নেন ২১ রান।
তার ৪৯ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬১ রান তোলে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে শেডলি ভ্যান স্কোয়ালকক নেন ৪ উইকেট, হারমীত সিং নেন ২টি।
১৬২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় যুক্তরাষ্ট্র। ১৩ রানের মধ্যেই হারায় ৩ উইকেট। এরপর মিলিন্দ কুমার ও সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তির জুটিতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। মিলিন্দ ৩৪ বলে ৩৪ এবং সঞ্জয় ৩১ বলে ৩৭ রান করে আউট হলে আবার চাপে পড়ে দলটি।

শেষ দিকে শুভাম রাঞ্জান লড়াই চালিয়ে যান। ২২ বলে ৩৭ রান করলেও অন্য প্রান্ত থেকে সমর্থন না পাওয়ায় ম্যাচে ফিরতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩২ রানেই থামে তাদের ইনিংস।
ভারতের হয়ে ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ সিরাজ। আর্শদ্বীপ সিং ও অক্ষর প্যাটেল নেন ২টি করে উইকেট, একটি করে উইকেট পান বরুণ চক্রবর্তী।
২৯ রানের জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত।

