https://youtu.be/TJ-C0Kfgt3Y?si=5txeNHxa5EB_0BZA
দুর্দান্ত এই জয়ে চলতি বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে পাকিস্তানের সেমিফাইনালে ওঠার সমীকরণ হয়ে গেছে বেশ কঠিন। নেতৃত্বের প্রকৃত উদাহরণ দেখিয়েছেন হ্যারি ব্রুক—শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে অনবদ্য এক শতকে এনে দিয়েছেন জয়।
ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। তবে শুরুটা ভালো হয়নি। ওপেনার সাইম আইয়ুব ৭ বলে ৭ রান করে বিদায় নেন। ওপেনিং জুটিতে আসে মাত্র ১৪ রান।
এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলেন সাহিবজাদা ফারহান। তিন নম্বরে নেমে অধিনায়ক সালমান আলী আগা ৬ বলে ৫ রান করে ফেরেন। এরপর ফারহানের সঙ্গে জুটি গড়েন বাবর আজম। পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেটে ৪৬ রান তোলে পাকিস্তান।
বাবর ২৪ বলে ২৫ রান করে আউট হলেও ফারহান ছিলেন আক্রমণাত্মক। ৪৫ বলে ৬৩ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। পরে ফখর জামান ১৬ বলে ২৫ রান করেন। শেষ দিকে শাদাব খানের ১১ বলে ২৩ রানের ঝড়ো ইনিংসে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৪ রান তোলে পাকিস্তান।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৩ উইকেট নেন লিয়াম ডসন। ২টি করে উইকেট পান জেমি ওভারটন ও জফরা আর্চার। একটি উইকেট নেন আদিল রশিদ।
১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। প্রথম বলেই ফিল সল্টকে ফিরিয়ে দেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। এরপর ৩ বলে ২ রান করে বিদায় নেন জস বাটলার। ১৭ রানের মধ্যেই দুই ওপেনারকে হারায় ইংল্যান্ড।
তিন নম্বরে নেমে হাল ধরেন হ্যারি ব্রুক। যদিও জ্যাকব বেথেল ১০ বলে ৮ রান করে আউট হন। পাওয়ারপ্লেতে ৩ উইকেটে ৫৩ রান তোলে ইংল্যান্ড।
এরপর ব্রুকের সঙ্গে জুটি বাঁধেন স্যাম কারান। ২৮ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন ব্রুক। কারান ১৫ বলে ১৬ রান করে আউট হলে ক্রিজে আসেন উইল জ্যাকস।
মাত্র ৫০ বলে শতক পূর্ণ করেন ব্রুক। শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ১০০ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ৩ রান। প্রথম বলেই চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন আদিল রশিদ। ৫ বল হাতে রেখে ২ উইকেটে জয় পায় ইংল্যান্ড।
পাকিস্তানের হয়ে ৪ উইকেট নেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ২টি করে উইকেট পান উসমান তারিক ও মোহাম্মদ নওয়াজ।
এই জয়ের ফলে বিশ্বকাপের প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করলো ইংল্যান্ড। আর পাকিস্তানের সামনে এখন কঠিন সমীকরণ—অন্য ম্যাচের ফলের ওপরই নির্ভর করছে তাদের ভাগ্য।