![]()
আসন্ন টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়া শিবিরে নেমে এসেছে বড় অনিশ্চয়তা। অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের ইনজুরির ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই এবার চোটের কারণে বিশ্বকাপ দল থেকে ছিটকে গেলেন অভিজ্ঞ পেসার জশ হ্যাজলউড। ফলে এক দশকের বেশি সময় পর ‘বিগ থ্রি’ পেসার—মিচেল স্টার্ক, কামিন্স ও হ্যাজলউড—কাউকেই ছাড়াই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।
গত ১২ নভেম্বর শেফিল্ড শিল্ডে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়ার পর থেকেই প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের বাইরে রয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী হ্যাজলউড। বিশ্বকাপ স্কোয়াডে প্রাথমিকভাবে রাখা হলেও তার পুনর্বাসন প্রত্যাশার চেয়ে ধীর হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
নির্বাচক টনি ডোডেমাইড বলেন,
“আমরা আশা করেছিলাম সুপার এইটের আগে সে ফিট হয়ে উঠবে। কিন্তু সর্বশেষ রিপোর্ট বলছে, পুরোপুরি সুস্থ হতে আরও সময় লাগবে। ঝুঁকি নিতে চাইনি।”
এখনো তার বদলি ঘোষণা করা হয়নি। তবে ট্রাভেলিং রিজার্ভ শন অ্যাবটকে দলে অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।
হ্যাজলউডের অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ কার্যত নতুনদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। বর্তমানে জেভিয়ার বার্টলেট ও বেন ডোয়ারশুইস একমাত্র পুরোপুরি ফিট ফ্রন্টলাইন পেসার। নাথান এলিস চোট কাটিয়ে ফিরলেও উদ্বোধনী ম্যাচে তার খেলা অনিশ্চিত।
এদিকে স্পিন বিভাগে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। অ্যাডাম জাম্পা আয়ারল্যান্ড ম্যাচের জন্য ফিট, সঙ্গে আছেন ম্যাথু কুহনেম্যান ও কুপার কনোলি। শ্রীলঙ্কার কন্ডিশন বিবেচনায় শুরুতে স্পিন–নির্ভর কৌশল নিতে পারে দলটি।
অধিনায়ক মিচ মার্শ বলেছেন,
“স্কোয়াডে গভীরতা আছে। যারা এসেছে তারা অভিজ্ঞ এবং আমরা তাদের ওপর আস্থা রাখি। কন্ডিশন অনুযায়ী দল সাজানো হবে।”
পাকিস্তানের কাছে সিরিজে ৩–০ ব্যবধানে হার এবং প্রস্তুতি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় প্রস্তুতিতে কিছু ঘাটতি থাকলেও শিরোপা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জে আত্মবিশ্বাসী অস্ট্রেলিয়া।
১১ ফেব্রুয়ারি : বনাম আয়ারল্যান্ড (কলম্বো)
১৩ ফেব্রুয়ারি : বনাম জিম্বাবুয়ে (কলম্বো)
১৬ ফেব্রুয়ারি : বনাম শ্রীলঙ্কা (ক্যান্ডি)
২০ ফেব্রুয়ারি : বনাম ওমান (ক্যান্ডি)